ডিএনএ টেস্টে নানাকে ধর্ষক শনাক্তের দাবি ভুয়া। এখনো পরীক্ষা হয়নি, বলছে পুলিশ।

T

Team TTL

May 06, 2026 • 09:46 PM

ডিএনএ টেস্টে নানাকে ধর্ষক শনাক্তের দাবি ভুয়া। এখনো পরীক্ষা হয়নি, বলছে পুলিশ।

নেত্রকোণার মদন উপজেলায় এক মাদরাসাছাত্রীকে ঘিরে আলোচিত ধর্ষণ মামলার প্রেক্ষাপটে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন করে একটি বিভ্রান্তিকর দাবি ছড়িয়ে পড়েছে। ছড়িয়ে পড়া ওই দাবিতে বলা হয়, ভুক্তভোগী শিশুটির ওপর নির্যাতনের জন্য দায়ী তার আপন নানা এবং ডিএনএ পরীক্ষায় তা প্রমাণিত হয়েছে। তবে অনুসন্ধানে এ দাবির কোনো সত্যতা পাওয়া যায়নি।


এর আগে, ১২ বছর বয়সী ওই শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগে সংশ্লিষ্ট মাদরাসার পরিচালক ও শিক্ষক আমান উল্লাহ সাগরের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। বর্তমানে শিশুটি সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা এবং ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত শিক্ষক আত্মগোপনে রয়েছেন। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত একটি ভিডিও বার্তায় আমান উল্লাহ সাগর নিজের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি দাবি করেন, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী অনিয়মিতভাবে মাদরাসায় আসত এবং কয়েক মাস আগে প্রতিষ্ঠান ছেড়ে চলে যায়। একইসঙ্গে তিনি প্রকৃত অপরাধী শনাক্তে ডিএনএ পরীক্ষা ও সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানান।


এই বক্তব্য প্রকাশের পরপরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন দাবি ছড়িয়ে পড়ে, যেখানে বলা হয় ডিএনএ পরীক্ষায় শিশুটির নানাকে অভিযুক্ত হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে। তবে প্রাসঙ্গিক কীওয়ার্ড অনুসন্ধানে এ ধরনের কোনো তথ্য স্থানীয় বা জাতীয় গণমাধ্যমে পাওয়া যায়নি।


এ বিষয়ে মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. তরিকুল ইসলামের বরাতে ফ্যাক্ট-চেকিং প্ল্যাটফর্ম ‘দ্য ডিসেন্ট’ জানায়, ছড়িয়ে পড়া দাবিটি ভিত্তিহীন। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, ভুক্তভোগী শিশুটির এখনো ডিএনএ পরীক্ষা সম্পন্ন হয়নি। সন্তান জন্মের পর ডিএনএ টেস্ট করা হবে।


সুতরাং, “ডিএনএ টেস্টে নানাকে ধর্ষক হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে” সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত এই দাবিটি অসত্য ও বিভ্রান্তিকর।

আরও পড়ুন